ঠিক সেইসময়, এক স্বামীহারা গ্রাম্য গৃহবধূ, সমাজের সম্মান নষ্ট না করেও, সেই কুপ্রথা শেষ করতে সচেষ্ট হলেন। দৃপ্তকণ্ঠে প্রতিবাদ করলেন, জাতিভেদের। প্রতিবাদ করলেন ব্রিটিশদের স্বৈরাচারের। ব্রাহ্মণের বিধবা হয়েও, তিনি পুত্রসম স্নেহ করতে লাগলেন ব্রাহ্মণ, অব্রাহ্মণ, মুচি মেথর সমস্ত জাতের লোকেদের। মুক্তকণ্ঠে বললেন, শরৎ (স্বামী সারদানন্দ) আমার ছেলে, আমজাদও (মুসলমান ডাকাত) আমার ছেলে। সংকীর্ণতা ঝেড়ে ফেলে, বিধর্মীর পাত পরিষ্কার করতেও দ্বিধা ছিল না তার। তিনি ছিলেন তার যুগ থেকে কয়েক পা এগিয়ে।
হয়ে উঠলেন সবার মা, পরবর্তীকালে সবচেয়ে বড় সেবা প্রতিষ্ঠান রামকৃষ্ণ মঠের সঙ্ঘজননী, সবার মা। কিন্তু নিজে রইলেন অতি সাধারণের ন্যায়, মঠের সমস্ত অর্থ ব্যয় হতে লাগলো আর্তের সেবায়।
সেই করুণাময়ী জননীর ১৬৭তম জন্মজয়ন্তীতে আগমনী বার্তা জানায় পরম শ্রদ্ধা ও প্রণাম।
✓ সারদা দেবীর জন্মজয়ন্তী উপলক্ষ্যে
No comments:
Post a Comment